বিবাহ-বিচ্ছেদ ছাড়াই দ্বিতীয় বিয়ে!  কলকাতায় ফিরেই হাইকোর্টে আগাম জামিনের আর্জি বিজেপি বিধায়ক তথা অভিনেতা হিরণের

বুধবারই দ্বিতীয় বিবাহ নিয়ে মুখ খুলেছেন হিরণ চট্টোপাধ্যায়। সাফ জানিয়েছিলেন, “বিচারাধীন বিষয় নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাই না!” তবে চব্বিশ ঘণ্টা যেতে না যেতেই চেন্নাই থেকে ফিরে এবার আগাম জামিন চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন খড়্গপুরের বিজেপি বিধায়ক। গত বুধবার রাতে আনন্দপুর থানায় হিরণ্ময় চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী ঋতিকা গিরির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন নেতা-অভিনেতার প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁদের মেয়ে নিয়াসা চট্টোপাধ্যায়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই মামলা রুজু হয়। এবার সেই প্রেক্ষিতেই আগাম জামিনের আবেদন করে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন পদ্ম শিবিরের বিধায়ক। সূত্রের খবর, হিরণের আইনজীবী আগাম জামিনের জন্য দ্রুত শুনানির আর্জি জানিয়েছিলেন আদালতে। বিচারপতি মামলা দায়েরের অনুমতি দিলেও শুনানির দিন স্থির হয়নি বলেই জানা গেল। কলকাতার আনন্দপুর থানায় দায়ের একটি মামলার প্রেক্ষিতে আগাম জামিন চান তিনি। আদালত সূত্রের খবর, বুধবার তাঁর আইনজীবী দ্রুত শুনানি চেয়ে বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি আদালতকে জানান, তাঁর মক্কেল বর্তমানে একজন বিধায়ক। একটি মামলায় আগাম জামিনের জন্য দ্রুত শুনানির আর্জি মঞ্জুর করা হোক। বিচারপতি সেনগুপ্ত মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন বলে খবর। তবে শুনানির দিন এখনও স্থির হয়নি।

সম্প্রতি বারাণসীর এক ঘাটে নিজের দ্বিতীয় বিয়ের ছবি পোস্ট করেন হিরণ চট্টোপাধ্যায়। তারপরই স্বামীর বিরুদ্ধে সরব হন তাঁর প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা। অভিযোগ, ডিভোর্স না দিয়েই নাকি ফের বিয়ে করেছেন বিধায়ক। তা নিয়ে তুমুল চর্চা শুরু হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাঁর প্রথম স্ত্রী ও মেয়ে পুলিশের দ্বারস্থও হয়েছেন। কিন্তু এতদিন গোটা বিষয়ে কার্যত মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন তারকা-বিধায়ক। অবশেষে দু সপ্তাহ পর নীরবতা ভাঙলেন হিরণ। তিনি জানান, ‘আমি কলকাতায় ছিলাম না। দীর্ঘদিন চেন্নাইতে ছিলাম। যে বিষয় বিচারাধীন তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাই না। আদালতের অসম্মান আমি করব না।’