স্ক্রিনিং কমিটির বৈঠকে বিবাদের জল্পনার মাঝেই প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে হাজির দেব

 প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে হাজির দেব । বুধবার ইম্পার বৈঠকে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে দেব এমন কিছু কথা বলেন যাতে আঘাতপ্রাপ্ত হন বাংলা চলচ্চিত্রের জ্যেষ্ঠপুত্র । জানা যায়, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় যখন দেবকে বলেন, “আমরা সবাই মিলে এই স্ক্রিনিং কমিটি তৈরি করেছি । সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিলে তা ইন্ডাস্ট্রির জন্য ভালোই হবে । ‘পুজোর সিনে ক্যালেন্ডার’ তৈরি হয়েছে । তোর সঙ্গে মাননীয়ার যোগাযোগ রয়েছে । ওঁকে একবার জানিয়ে রাখিস ।” এরপরে দেব নাকি বুম্বাদাকে বলেন, “আজকাল তো তোমার কথাই শুনতে হবে । কারণ তোমার ছবি এখন দারুণ চলছে – (বিজয়নগরের হীরে), তার উপর আবার ‘পদ্মশ্রী’ পেয়েছো ।” সূত্রের দাবি, দেবের এই কথায় অপমানিত বোধ করেন প্রসেনজিৎ ৷ যদিও সাংবাদিকদের কাছে এই ব্যাপারে টুঁ শব্দটিও করেননি তিনি। উল্লেখ্য, ইম্পাতে আয়োজিত বৈঠক সম্পূর্ণ গোপনীয়তা মেনে সম্পন্ন হয় । সাংবাদিকরা ছিলেন কাঁচের দরজার বাইরে । ফলে, ভিতরে কী কথা হচ্ছে তা কাক-পক্ষীতেও টের পাওয়ার কথা নয় । এরপর বৃহস্পতিবার হঠাৎই খবর ছড়ায় যে, সেই বৈঠক শান্তিপূর্ণ ছিল না । এই ব্যাপারে প্রযোজক তথা স্ক্রিনিং কমিটির সদস্য রানা সরকার বলেন, “বুম্বাদা অসম্মানিত হয়েছেন কি না তা তো বুম্বাদা’কে জিজ্ঞেস করা উচিত । সেরকম যদি কিছু হয়েও থাকে তা তো বাইরে আসার কথা নয় । খুব কনফিডেনসিয়াল একটা মিটিং ছিল । এগুলো কারা করছেন ? তা হলে কি কেউ পরিকল্পিতভাবেই ইন্ডাস্ট্রির ঐক্য নষ্ট করতে ভিতরের কথা বাইরে নিয়ে আসছেন ? তাঁরা কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে ঝামেলা বাঁধাতে চাইছেন ? এটাই আমার প্রশ্ন । আমাদের নিজেদের মধ্যে ভিতরে কী কথা হচ্ছে তা তো বাইরে আসার কথাই নয় । আর তাছাড়া, এরকম বড় কিছু হয়নি ।” এরপর শুক্রবার বিকেল নামতেই সামাজিক মাধ্যমে দেব-বুম্বার আদর মাখানো ছবি হাজির । নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় দেবের সঙ্গে ছবি পোস্ট করে বুম্বাদা লিখেছেন, “তুই এলি, কথা বললি, ভালো লাগলো । নিজের খারাপ লাগাগুলোকে সরিয়ে বাড়ির ভুলবোঝাবুঝি গুলোকে সামলানোটাই মনে হয় বড়দের কাজ । ভালো থাক । আদর ।” ছবিতে দুই সুপারস্টারের সঙ্গে হাজির ছিলেন জুনিয়ার মিস্টার চট্টোপাধ্যায় তৃষানজিৎ।