আগামী মার্চ মাসেই কলকাতায় পাড়ি দিচ্ছেন রাজকুমার রাও। উদ্দেশ্য সৌরভ গাঙ্গুলির বায়োপিক। আগে শোনা গিয়েছিল পুজোর পরই কলকাতায় এসে সৌরভের সঙ্গে দিন কয়েক সময় কাটাবেন এবং জানুয়ারি মাস থেকে শুটিং শুরু করবেন রাজকুমার। কিন্তু প্রথমত, স্পোর্টস ড্রামার জন্য অভিনেতার কড়া প্রস্তুতি, আর দ্বিতীয়ত নিকম উজ্জ্বলের বায়োপিকের শুটিংয়ের জন্য সৌরভের বায়োপিকের শুটিং পিছোতে হয় রাজকুমারকে। তবে এবার আর দেরি নয়! মার্চ মাসেই তিলোত্তমায় পাড়ি দিচ্ছেন বলিউড অভিনেতা। সদ্য উজ্জ্বল নিকমের বায়োপিকের কাজ শেষ হয়েছে। এইমুহূর্তে ওজন ঝড়াতে আদা-জল খেয়ে ময়দানে নেমে পড়েছেন বলিপর্দার ‘মালিক’। কারণ চরিত্রের প্রয়োজনে অভিনেতা বরাবরই শারীরিক গড়ন বদলেছেন। অতীতে ‘ট্র্যাপড’ সিনেমার জন্য হোক কিংবা ‘বোস’ ছবিতে নেতাজির চরিত্রায়ণের জন্য, রাজকুমার কোনওদিনই প্রস্থেটিক মেকআপের আশ্রয় নেওয়ার পক্ষপাতী নন। সিনেপর্দায় মহারাজের বর্ণময় ক্রিকেট কেরিয়ার থেকে ব্যক্তিগতজীবন তুলে ধরার ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। জানা গেল, ‘প্রিন্স অফ ক্যালকাটা’র চরিত্র আত্মস্থ করতে বাংলা বলাও শিখে ফেলেছেন রাজকুমার রাও। যার খানিক কৃতীত্ব অবশ্য স্ত্রী পত্রলেখারও প্রাপ্য। পঁচিশ সালের আগস্ট মাসেই কলকাতায় এসে রেইকি সেরে গিয়েছিলেন পরিচালক বিক্রমাদিত্য মোতওয়ানে। ক্রিকেটের পীঠস্থান ইডেন গার্ডেন্স, ময়দান থেকে শুরু করে বেহালায় সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বাড়িতেও ঢুঁ মারেন পরিচালক বিক্রমাদিত্য মোতওয়ানে। মহারাজের ক্রিকেটের শুরুয়াত যেখান থেকে, সেই দুখীরাম কোচিং সেন্টারও ঘুরে দেখেন টিম নিয়ে। কলকাতার যে যে এলাকায় রেইকি করে গিয়েছিলেন বিক্রমাদিত্য, শুটিং লোকেশনের তালিকায় সেসমস্ত জায়গার নামই রয়েছে। ইতিমধ্যেই কলকাতা, মুম্বই এবং লন্ডনের বিভিন্ন লোকেশনে শুটিংয়ের অনুমতি নেওয়া হয়েছে মোতওয়ানের টিমের তরফে।