সেলিম খানের শারীরিক অবস্থার অবনতি। মঙ্গলবার তাঁকে মুম্বইয়ের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসকরা নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রেখেছিলেন। তবে সূত্রে খবর, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বেড়েছে নবতিপর সেলিম খানের। তাই আজই অস্ত্রোপচার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেডিক্যাল বোর্ড। সূত্র মারফত আরও জানা যাচ্ছে, রক্তচাপ হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার ফলেই মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয় তাঁর। রক্তনালী ফেটে গিয়ে রক্তক্ষরণ শুরু হওয়ার পরই অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকেরা। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, সেলিম খানের শ্বাসকষ্টের সমস্যাও রয়েছে। এই মুহূর্তে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সেলিম খানকে ভর্তি করার পরই শুটিং বাতিল করে বাবাকে দেখতে হাসপাতালে পৌঁছন সলমন। বর্ষীয়ান চিত্রনাট্যকারের শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে রীতিমতো দুশ্চিন্তায় গোটা বলিউড। মঙ্গলবার রাতেই লীলাবতী হাসপাতালের আইসিইউ-তে ভর্তি হন সেলিম খান। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ তাঁকে প্রথমে আইসিইউ-তে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থায় অবনতি দেখা গেলে তাঁকে ভেন্টিলেশন সাপোর্টে রাখা হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, হঠাৎ রক্তচাপ খুব বেড়ে যাওয়ায় তাঁর শরীরে ভেতরে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। এই কারণেই তাঁকে ভেন্টিলেটরে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেলিম খানের চিকিৎসার জন্য তৈরি মেডিক্যাল বোর্ডে রয়েছেন, নিউরোলজিস্ট ডা. বিনয় চাভান, কার্ডিয়োলজিস্ট ডা. অজিত মেনন, নিউরোসার্জন ডা. নীতিন দাঙ্গে এবং ডা. বিনীত আহলুওয়ালিয়া। তাঁরা প্রত্যেকে তাঁর স্বাস্থ্যের বিভিন্ন দিক দেখে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, পরিবারের অনুরোধেই সেলিম খানকে নিয়ে কোনও অতিরিক্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তবে অনুমতি পেলে বলিউডের প্রবীণ চিত্রনাট্যকারের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত মেডিক্যাল বুলেটিন জারি করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। বাবাকে দেখতে হাসপাতালে গেছেন সলমন খান, আলভিরা খান অগ্নিহোত্রী, আরবাজ খান, সোহেল খান এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। এছাড়াও বলিউডের অনেকেই, সলমন খানের সহকর্মী-বন্ধু যেমন সঞ্জয় দত্ত, জিশান সিদ্দিকি হাসপাতালে গিয়েছেন। সেলিম খানের দীর্ঘদিনের বন্ধু এবং ‘শোলে’ সিনেমায় তাঁর সহ চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতারও হাসপাতালে পরিবারের দেখা করে খোঁজখবর নিয়েছেন।