প্রকাশ্যে ‘ফুলপিসি ও এডওয়ার্ড’-এ কনীনিকার লুক

গ্রীষ্মের ছুটিতেই মুক্তি পাবে উইন্ডোজের নতুন ছবি ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’। তার আগে প্রকাশ্যে বং বিউটি কনীনিকার লুক। ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’-এর সুবাদে উইন্ডোজের সঙ্গে লম্বা বিরতি কাটিয়ে ঘর ওয়াপসি কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আবেগে ভেসে কনীনিকা বলেন, “শিবুদা-নন্দিতাদির সঙ্গে এর আগে অনেক কাজই করেছি। সিনেমার দিক থেকে বিচার করলে ‘মুখার্জিদার বৌ’, ‘হামি’, ‘কণ্ঠ’। এরপর লম্বা বিরতি কাটিয়ে ‘ফুলপিসি ও এডওয়ার্ড’-এর হাত ধরে ফিরে আসা। যখন শিবুদা আমাকে ফোন করেছিল তখন আমি বিদেশে ছিলাম। আমার কাছে এই ছবির প্রস্তাব আসা বড় পাওয়া কারণ উইন্ডোজের সঙ্গে কাজ করতে আমার ভালো লাগে।” নন্দিতা রায়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ কনীনিকা। তাঁর কথায়, “নন্দিতাদিকে আমি ভীষণ সম্মান করি। উনি আমার কাছে এমন একজন মানুষ যাকে আমি প্রচণ্ড ভালোবাসি, সঙ্গটাও খুব প্রিয়। আর শিবুদার ফ্যান তো ছোটবেলা থেকেই। অভিনয়ের ভক্ত তো ছিলামই পরে যখন একসঙ্গে কাজ করলাম তখন থেকে ডিরেকশনেরও ফ্যান হয়ে গিয়েছি। এই মুহূর্তে সিনেমার যা পরিস্থিতি সেক্ষেত্রে নির্দেশনার সঙ্গে ব্যবসায়িক দিকটাও দেখতে হয়। সব দিক থেকেই শিবুদাকে আমার ভীষণ ভালো লাগে, প্রতি মুহূর্তে বুদ্ধিদীপ্ততার পরিচয় পাই। সব মিলিয়ে আবার উইন্ডোজের সঙ্গে আমার ফিরে আসাটা ভালোলাগার একটা জায়গা।” ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’-এ নিজের চরিত্র প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে জানান, ” খুব ছোট চরিত্র তবে কাজ করে ভীষণ খুশি। এতদিন পর একটা ভালো কাজ করে দু’রাত্রি ভালো করে ঘুমিয়েছি। মনে হয়েছে, একটা ভালো কিছু করলাম। উইন্ডোজের একটি বিরাট গুণ যাঁরা প্রকৃত অভিনয় জানেন তাঁদের যোগ্য সম্মান দেয়। শিল্পী হিসেবে যা হৃদয়ে দাগ কেটে যায়। এটা আমার কাছে ঘরে ফেরা যে ঘরটাকে আমি ভালোবাসি। আমি খুবই কৃতজ্ঞ ও আপ্লুত।” প্রসঙ্গত, কৌতুক-গোয়েন্দা গল্পের মোড়কে ‘ফুলপিসি ও এডওয়ার্ড’ সমাজকে এক চরম বাস্তবতার গল্প বলবে। অঙ্গদানের ক্ষেত্রেও কীভাবে লিঙ্গবৈষম্য থাকতে পারে? অঙ্গদানের ক্ষেত্রে পুরুষদের তুলনায় দেশের নারীরা কতটা এগিয়ে? সেই প্রসঙ্গ ধরেই নতুন গোয়েন্দা ছবির গল্প সাজিয়েছেন নন্দিতা-শিবপ্রসাদ। ‘ইচ্ছে’, ‘রামধনু’, ‘অ্যাক্সিডেন্ট’, ‘মুক্তধারা’, ‘কণ্ঠ’ থেকে হালফিলের ‘রক্তবীজ’ কিংবা ‘বহুরূপী’, প্রতিটি ছবিকেই বাস্তব আঙ্গিকে তুলে ধরেছেন উইন্ডোজ জুটি। ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’-এর ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।