৫০ বছরের যাত্রাপথ পেরিয়েও চিরযুবা তিনি

ব্যর্থতা দিয়ে শুরু হলেও, আজ তিনি রয়েছেন সাফল্যের শিখরে। আজ তিনি যেখানে দাঁড়ান লাইন সেখান থেকেই শুরু হয়। কর্ম জীবনের দীর্ঘ ৫০ বছরের যাত্রাপথ পেরিয়ে এলেন বলিউড শাহেনশা অমিতাভ বচ্চন। ১৯৬৯ সালের ৭ নভেম্বর মুক্তি পেয়েছিল সাত হিন্দুস্তানি।  আর এই সিনেমা দিয়েই বলিউডে পা রেখেছিলেন বিগ বি। যদিও এই ছবি তাঁকে সাফল্য দিতে পারেনি। কিন্তু অদম্য জেদ এবং কাজের প্রতি একাগ্র নিষ্ঠা তাঁকে ধীরে ধীরে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে সাফল্যের শিখরে। জীবনের একটা সময়ে চরম আর্থিক মন্দার মধ্যে দিয়েও গিয়েছেন। কিন্তু হার মানেননি। হার মানতে শেখেননি অমিতাভ বচ্চন। একদিন যে লম্বা চেহাড়া এবং ভাড়ি গলার জন্য তাঁকে রিজেক্ট করা হয়েছিল, আজ সেই চেহাড়া এবং গলা ইন্ডাস্ট্রির কাছে লেজেন্ডারি স্থান পেয়েছে। ৭৭-এ পৌঁছিয়েও কাজের প্রতি নিষ্ঠা ও ভালোবাসা ঠিক প্রথম দিনের মতোই রয়েছে। আজও তিনি চিরযুবা। আধুনিক যুগের অভিনেতা ও পরিচালকরাও মুগ্ধ শাহেনশার এই ঔজ্জ্বল্যে। আজও শুধু তাঁর কথা ভেবেই নতুন চিত্রনাট্য লেখা হয়। এমনই তাঁর ক্যারিশ্মা। অমিতাভের এই বিশেষ দিনটিকে আরও বিশেষ করে তুলল ছেলে অভিষেক বচ্চন। বাবার জীবনের এমন মাইলস্টোন ডে-তে দাঁড়িয়ে আন্তরিক অভিনন্দন জানালেন ছোটে বচ্চন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর Pa-র জন্যে লিখলেন মন ছুঁয়ে যাওয়া একটি নোট। বাবার এক পুরোনো ছবি শেয়ার করে অভিষেক লিখেছেন, “শুধুমাত্র ছেলে হিসেবে নয়, একজন অভিনেতা হিসেবে ও একজন ফ্যান হিসেবে…আমরা গ্রেটনেস দেখলে অভিভূত হই।” তাঁর পোস্টে শুভেচ্ছাবার্তা বন্যা বইয়ে দিলেন বিগ বি-র অগুনতি গুণমুগ্ধ ভক্ত। তাঁর আগামী ছবি চেহেড়ে-র প্রযোজক আনন্দ পন্ডিতও তাঁর কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুললেন। তিনি বলেন, বিগ বি-র ছবির প্রতি ভালোবাসা এবং এখনও নতুন কিছু শেখার উৎসাহ তাঁর আসপাশের মানুষদের মুগ্ধ করে দেয়। বিগ বি যাই করুন না কেন, খুব খুশি মনে করেন। তাঁর সঙ্গে কাজ করতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান বলেই মনে করেন আনন্দ পন্ডিত। চেহেড়ে-তে ইমরান হাশমির সঙ্গে তিনি থাকছেন। এটি একটি থ্রিলার মুভি। এছাড়াও আয়ুষ্মান খুরানার সঙ্গে গুলাবো সিতাবো, জাতীয় পুরস্কার বিজয়ী পরিচালক নাগরাজ মঞ্জুলের ছবি ঝুন্ড এবং অয়ন মুখোপাধ্যায়ের ব্রহ্মাস্ত্র-তে ছবিতে দেখা যাবে অমিতাভকে।